প্রিলিতে "কত পেলে পাস" — এর কোনো ফিক্সড নম্বর নেই। কাটমার্ক নির্ভর করে প্রশ্নের কাঠিন্য, পদসংখ্যা ও প্রার্থীর গড় পারফরম্যান্সের উপর। বিগত ধারা বুঝলেই টার্গেট ঠিক করা যায়।
কাটমার্ক কীভাবে নির্ধারিত হয়
- পিএসসি লিখিতের জন্য নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রার্থী বাছে (পদের কয়েকগুণ)
- শেষ নির্বাচিত প্রার্থীর নম্বরই হয় কাটমার্ক
- কঠিন প্রশ্নে কাটমার্ক কমে, সহজ প্রশ্নে বাড়ে
- নেগেটিভ মার্কিং আছে — প্রতিটি ভুলে ০.৫০ কাটা (নোটিশ দেখে নিন)
নিরাপদ টার্গেট (বিগত ধারা অনুযায়ী)
| প্রশ্নের ধরন | নিরাপদ স্কোর (২০০-তে) |
|---|---|
| সহজ/মাঝারি | ১২৫–১৩৫+ |
| কঠিন | ১১০–১২০+ |
| খুব কঠিন | ১০০–১১০+ (প্রশ্নভেদে) |
মডেল টেস্টে টার্গেট মিলিয়ে নিন
- ঘড়ি ধরে ২ ঘণ্টায় ফুল টেস্ট দিন
- নেগেটিভ বাদে নেট স্কোর বের করুন
- টানা ৩টি টেস্টে ১২০+ (নেট) ধরে রাখতে পারলে প্রস্তুতি নিরাপদ জোনে
- দুর্বল বিষয়ে সময় বাড়ান — সিলেবাস অনুযায়ী ওয়েটেজ দেখুন
পরীক্ষার হলে নম্বর বাড়ানোর কৌশল
- প্রথম রাউন্ডে নিশ্চিত উত্তর, দ্বিতীয় রাউন্ডে ৫০/৫০ — অন্ধকারে গোল্লা ভরাট নয়
- সময় ভাগ করুন: ২০০ প্রশ্নে ১২০ মিনিট = প্রশ্নপ্রতি ~৩৬ সেকেন্ড
- গণিতে আটকে গেলে ছেড়ে এগোন — শেষে সময় থাকলে ফিরুন
টার্গেট ঠিক হলো? এবার বই ও রোডম্যাপ ধরে পড়া শুরু করুন, আর কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স মিস করবেন না।
আরও পড়ুন: প্রিলি সিলেবাস | কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স | বই ও রোডম্যাপ | সরকারি চাকরি